বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৫ জুন ২০১৯

বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি বিষয়ক গণশুনানী অনুষ্ঠান।


প্রকাশন তারিখ : 2019-06-12

   

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর এদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান। সকল স্তরের দর্শক, গবেষক, সংগ্রহকারক এবং জাদুঘরের সাথে সম্পর্কিত প্রতিটি নাগরিকের চাহিদা পূরণে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর অঙ্গিকারাবদ্ধ। এই অঙ্গিকার সকল ক্ষেত্রে পূরণ করা সম্ভব হয়েছে কি না এ বিষয়ে আজ ১২ জুন ২০১৯, বুধবার সকাল ১১টায় বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে গণশুনানী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। গণশুনানী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের সচিব জনাব মো. আবদুল মজিদ। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাদুঘরের জাতিতত্ব ও অলঙ্করণ শিল্পকলা বিভাগের কীপার ও ইতিহাস ও ধ্রুপদী শিল্পকলা বিভাগের কীপার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) জনাব নূরে নাসরীন, সময়কালীন শিল্পকলা ও বিশ্বসভ্যতা বিভাগের কীপার ও সংরক্ষণ রসায়নাগার বিভাগের কীপার ড. বিজয় কৃষ্ণ বণিক, জনশিক্ষা বিভাগের কীপার ড. শিহাব শাহরিয়ার এবং প্রাকৃতিক ইতিহাস বিভাগের কীপার (চলতি দায়িত্ব) জনাব কঙ্কন কান্তি বড়ুয়া। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক জনাব মো. রিয়াজ আহম্মদ।    

গণশুনানীতে উপস্থিত থেকে কবি-সাহিত্যিক, স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক, ব্যাংকার, সাধারণ দর্শকসহ বিভিন্ন পেশাজীবী ব্যক্তিবর্গ তাদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মতামত ব্যক্ত করেন। এদের মধ্যে সাবেক কম্পোটলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল জনাব মাসুদ আহমেদ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শিপ্রা সরকার, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক জনাব মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার, বেরাইদ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা জনাব লায়না আরজুমান বানু, টোবাব পরিচালক জনাব তমাল এর নাম উল্লেখ্যযোগ্য। বক্তাদের মন্তব্যে উঠে এসেছে জাদুঘর থেকে যতটুকু পেয়েছেন তারা এর থেকেও বেশি প্রত্যাশা করেন। জাদুঘরকে আরো উন্নতি সাধনের প্রয়োজন রয়েছে। গ্যালারিতে আরো বেশি আর্টিকেল প্রদর্শনী করা, প্রদর্শনী গ্যালারিগুলো আরো সমৃদ্ধ করা প্রয়োজন। বক্তাদের বিভিন্ন মতামতের উপর ভিত্তি করে সংশ্লিষ্ট বিভাগের কীপারগণ বিভিন্ন মত প্রকাশ করেন। উপস্থিত বক্তাদের মূল্যবান মতামত বিবেচনা করে ভবিষ্যতে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন এবং তাদের মূল্যবান মন্তব্যগুলো সংশ্লিষ্ট বিভাগ অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবে।


Share with :

Facebook Facebook