বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৩ অক্টোবর ২০১৯

বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে শিল্পী বিন্দিয়া খানের একক সঙ্গীত সন্ধ্যার আয়োজন।


প্রকাশন তারিখ : 2019-10-04

    

বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ও সুরাঙ্গনা সাংস্কৃতিক সংঘের যৌথ উদ্যোগে জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে প্রখ্যাত সঙ্গীতসাধক ওস্তাদ গুল মোহাম্মদ খানের নাতনী ও ওস্তাদ মোহাম্মদ ইয়াসিন খানের সুযোগ্য কন্যা এবং সুরাঙ্গনা সাংস্কৃতিক সংঘের সদস্য, সঙ্গীত সাধনায় নিবেদিতপ্রাণ শিল্পী বিন্দিয়া খানের একক সঙ্গীত সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়। একক সঙ্গীতানুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক, বাংলা খেয়ালশ্রষ্টা ও সঙ্গীতজ্ঞ জনাব আজাদ রহমান, মিসেস সেলিমা আজাদ এবং সারগম পত্রিকার সম্পাদক কাজী রওনক হোসেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক জনাব মো. রিয়াজ আহম্মদ।

স্বাগত ভাষণে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের সচিব জনাব মো. আবদুল মজিদ বলেন বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর সংস্কৃতির কেন্দ্র। এখানে সংস্কৃতি চর্চা করা হয়। জাতীয় ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক জাদুঘর। জাতীয় জাদুঘর সর্বদা দেশের গুণী শিল্পীদের নিয়ে, স্মরণীয় বরণীয় ব্যক্তিদের নিয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এরই অংশহিসেবে আজকের আয়োজনে রয়েছে শিল্পী বিন্দিয়া খানের একক সঙ্গীত পরিবেশনা। সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে অতিথিরা শিল্পী বিন্দিয়া খানের শুভকামনা করেন। বিন্দিয়া খান যেন আরও বড়মাপের সঙ্গীতশিল্পী হতে পারে এবং তাঁর সঙ্গীত চর্চা যেন সার্থক হয় সেই কামনা করেন। সভাপতির বক্তব্যে জনাব মো. রিয়াজ আহম্মদ বলেন, ভারত উপমহাদেশের প্রখ্যাত সঙ্গীতসাধক ওস্তাদ গুল মোহাম্মদ খানের নাতনী ও ওস্তাদ মোহাম্মদ ইয়াসিন খানের সুযোগ্য কন্যা বিন্দিয়া খান। সঙ্গীত পরিবার থেকে বেড়ে ওঠা তরুণ শিল্পী বিন্দিয়া খান। আমরা সবাই তাঁর সাফল্য কামনা করি। আলোচনা শেষে শিল্পী বিন্দিয়া খান একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন। শুরুতেই তিনি ‘একবার যেতে দে না’ দেশাত্মবক গান পরিবেশন করেন। এছাড়াও উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে ছিল মন বলে, একি সোনার আলোয়, কি যে করি, মায়াবনো বিহারিণী, কেন জানিনা, দুকথা কহিতে, খুঁজবে আমায়, বিমূর্ত এই রাত্রি, দিল কিয়া চিজ, দিন চলে যায়, তুমি বিনা এ ফাগুন, এই দুনিয়া এখনতো আর, মেরা ঢোলন, অনেক বৃষ্টি ঝরে, তু যাহা যাহা, ঠুমরী, দামা দাম মাস্ত। শিল্পী বিন্দিয়া খান মাত্র ১০ বছর বয়সে সঙ্গীতে হাতেখড়ি হয় সঙ্গীতগুরু পিতার কাছে। বর্তমান প্রজন্মের প্রতিভাধর সঙ্গীত শিল্পীদের অন্যতম সঙ্গীতসাধক বিন্দিয়া খান। গুণী শিল্পী বিন্দিয়া খান তাঁর ভক্ত ও শ্রোতা-দর্শকদের ভালোবাসার প্রতি যথেষ্ট আস্থাশীল। তার ধ্যান জ্ঞান কর্মপ্রয়াস সবকিছুই সঙ্গীতকে ঘিরে। সঙ্গীত সাধনা বিন্দিয়ার পারিবারিক ঐতিহ্য। শিল্পী বিন্দিয়া খানের সঙ্গীত জীবনের শুরু উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত দিয়ে। এছাড়াও তিনি তালিম নিয়েছেন আধুনিক বাংলা গান, হিন্দি গান, ঠুমরি, দেশাত্নবোধক সঙ্গীত ও আধুনিক ফোক সঙ্গীতের।


Share with :

Facebook Facebook